publish on: Wednesday 9 May 2018

মাদক ব্যবসায়ী, চাদাঁবাজ, ছিনতাইকারী ও বিবাহিত দিদার ছাত্রলীগের সভাপতি র্প্রাথী....

ফাইল ছবিঃ দিদার নিজামূল ইসলাম
আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ২৯তম জাতীয় সম্মেলনে মাদকাসক্ত, মাদক ব্যবসায়ী, চাদাঁবাজ ,ছিনতাইকারী ও বিবাহিত দিদার নিজামুল ইসলাম সভাপতি প্রার্থী বলে জানা গেছে। তবে তার বিরুদ্ধে ছাত্রলীগের সাবেক ও বর্তমান এবং পলাশী এলাকার ব্যবসায়ীরা প্রতিবেদকের কাছে বিভিন্ন অভিযোগ করেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র ও সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের সাবেক কয়েকজন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীর সাথে কথা বলে জানা যায়, দিদার নিজামুল ইসলাম সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের সাধারন সম্পাদক থাকা অবস্থায় পলাশী মোড়ে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেন। পলাশী বাজারের কোন ব্যবসায়ী তাকে চাদাঁ না দিয়ে ব্যবসা করতে পারতো না। ২০১৪ সালে কুরবানীর ঈদের পাচঁদিন আগে থেকে পলাশী মোড়ে সিটি কর্পোরেশনের অনুমতি ব্যতিত অবৈধ ভাবে গুরু ছাগলের হাট বসিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সেই হাটে অতিরিক্ত ও অবৈধ হাসিল তুলার প্রতিবাদ করায় দিদার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের এক শিক্ষককে লাঞ্চিত করে। পরে তৎকালীন ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক সিদ্দিকি নাজমুল আলমের কাছে সেই শিক্ষক ফোন করে বিচার দিলে তৎকালীন র‌্যাব প্রধান বেনজির আহমেদ এর সহায়তা নিয়ে নাজমূল আলম দিদারের অবৈধ হাট উচ্ছেদ করেন এবং  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের তার জিম্মি থেকে সাময়িক ভাবে মুক্তি দেয়ার চেষ্টা করেন। এছাড়াও ২০১৫ সালে পুরান ঢাকার চকবাজারের ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলামকে ফুলার রোড় থেকে মটর সাইকেলসহ তুলে হলে নিয়ে গিয়ে মোটা অংকের চাদাঁ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
বর্তমান কমিটির যুগ্ম সাধারন সম্পাদক হওয়ার পর থেকে দিদার নিজামূল ইসলাম চাদাঁবাজির পাশাপাশি মাদক ব্যবসা শুরে করেন সেই সাথে নিজেই মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন। ঢাকা মেডিকেলের কয়েকজন ছাত্রী অভিযোগ করে বলেন, গত দুই বছর ধরে দিদার ঢাকা মেডিকেলের পুরাতন ভবনের সামনে এবং ছাত্রী হোস্টেলের সামনে প্রতি সন্ধ্যার পর মাদকের আসর বসান। এতে শিক্ষার্থীরা অনেক সমস্যা পড়লেও তার বিরুদ্ধে ভয়ে কেও কোন কথা বলতে পারতেন না।
এছাড়াও দিদার নিজামূল ইসলাম বিবাহিত বলে অভিযোগ রয়েছে, ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির একজন উপ সম্পাদককে দিদার ২০১৬ সালে বিয়ে করেছেন। তাদের বিয়েতে ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির একজন সহ সভাপতি ও একজন সম্পাদক সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বলে জানা যায়। এই বিষয় জহুহল ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বুলবুল তার ফেইসবুক ওয়ালে গত  ১ মে লিখেন, ছাত্রলীগের একজন প্রভাবশালী যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের বিবাহের কাবিননামা পেলাম। ১ নং সাক্ষী ছাত্রলীগের একজন সহ সভাপতি ( যাকে তৈরী করেছেন) ফেইসবুকে কি ছেড়ে দিবো?....
দিদার নিজামূল ইসলামের আপন বড় ভাই চট্রগাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিবিরের সাথী এবং বাইতুল মাল সম্পাদক ছিল। র্বতমানে তিনি মতিঝিল ইসলামী ব্যাংকে কর্মরত রয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, বড় ভাইয়ের মাধ্যামে শিবিরের সাথে তার নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। এবং শিবিরের অর্থায়নে সে ছাত্রলীগের সভাপতি হতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।