publish on: Thursday 30 November 2017

সাহিত্যজগতে বাংলার উপস্থিতি জানছে বিশ্ববাসী’

ফাইল ছবিঃ
প্রথম আলো: এ বছর ঢাকা লিট ফেস্টের উৎসবের সাত বছর পূর্ণ হলো। পেছন ফিরে তাকালে কী কী অর্জন এবং কোন কোন অপ্রাপ্তি চোখে পড়ে? কাজী আনিস আহমেদ: আমাদের প্রথম উদ্দেশ্য ছিল বিশ্বের বুকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে তুলে ধরা। একই সঙ্গে নতুন পাঠকদের সামনে বিশ্বের বিভিন্ন সাহিত্যধারাকেও গভীরভাবে তুলে ধরা। এই সাত বছরে ৩৩টি দেশ থেকে তিন শতাধিক লেখক-সাহিত্যিক-চিন্তাবিদ আনতে পেরেছি আমরা। উৎসবের এই সাত বছরে যেসব বিশ্ব-সাহিত্যিকদের সঙ্গে বাঙালি নাগরিকদের সম্মুখ পরিচয় ঘটেছে, স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের ইতিহাসে নিঃসন্দেহে সেটি একটি বড় ঘটনা। এগুলো অর্জনের দিক। আর অপ্রাপ্তি? যেহেতু আমি লেখক, পাশাপাশি একজন উদ্যোক্তাও, সত্যিকার অর্থে তাই আমি নেতিবাচক তেমন কিছু সহজে আমলে নিই না। তারপরও বলি, সাহিত্য উৎসবকে ঘিরে আমাদের স্বদেশি লেখকদের অনেকের অনেক বিষয়ে হয়তো মন ভরে না, কোনো কোনো ব্যাপারে তাঁদের মধ্যে প্রশ্ন ও বিরক্তিও তৈরি হয়; এসব যখন ঘটে, আয়োজক হিসেবে আমাদেরও তখন মন খারাপ হয়। আমরা সব সময় চাই, আয়োজনকে ত্রুটিমুক্ত করে এমন একটা জায়গায় নিয়ে যাব, যেখানে দেশের সব লেখক–চিন্তাবিদ–পাঠক এই উৎসবে যুক্ত হবেন এবং কারও মনে কোনো খেদ বা বিরাগ থাকবে না। প্র আ: ২০১১ সালে এই উৎসব যখন শুরু হয়, নাম ছিল ‘হে সাহিত্য উৎসব’। তখন অনেকেই উৎসবের বিরোধিতা করেছেন। সেই বিরোধিতা এখন হ্রাস পেলেও অভিযোগ থেমে যায়নি। অনেকে অভিযোগ করেন, দেশীয় সাহিত্যের বৃহত্তর সমাজকে এই উৎসব এখনো একীভূত করতে পারেনি। আরও অভিযোগ এমন যে বাংলাদেশে ইংরেজি ভাষায় যাঁরা লেখেন, বাংলা ভাষার লেখকদের প্রতি তাঁদের একধরনের উন্নাসিকতা আছে। কী বলবেন এই বিষয়ে?