publish on: Thursday 30 November 2017

জীবন, সময় ও রাজনীতি

ফাইল ছবিঃ
অনলাইনে খোঁজ করলে এখন যে কারও সম্পর্কেই নানা তথ্য মেলে। ব্রিটিশ নাট্যকার, চলচ্চিত্র-চিত্রনাট্যকার, পরিচালক ও লেখক স্যার ডেভিড হেয়ার ঢাকা লিট ফেস্টে এসেছিলেন। তাঁর সঙ্গে কথা বলতে হবে এবং লিখতে হবে। অনলাইনে তাঁকে নিয়ে তথ্যের অভাব নেই। কিন্তু তাঁর ‘কাজের’ ব্যাপারে আমার ধারণা হচ্ছে, তাঁর লেখা চিত্রনাট্যের দুটি ছবি—ব্রিটিশ পরিচালক স্টিফেন ড্যালড্রি পরিচালিত রিডার আর ফরাসি পরিচালক লুই মালের ড্যামেজ। লিট ফেস্টে তিনি দুটি ‘টক’-এ কথা বলেছেন। সে দুটিও শোনার সুযোগ হয়নি। এই ছবি দুটি দেখার পুঁজি সম্বল করেই তাঁর সঙ্গে কথা বলা শুরু। ‘আমার নাট্যকার হওয়াটা খুবই আকস্মিক। আমি একটি ট্রাভেলিং থিয়েটারের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম নির্দেশক হিসেবে। একদিন হয়েছে কি, নাটকের প্রদর্শনীর যখন মাত্র দিন পাঁচেক বাকি, তখন জানলাম যাঁর স্ক্রিপ্ট দেওয়ার কথা, তিনি সেটি দিচ্ছেন না। শেষ পর্যন্ত থিয়েটারের ভ্যানে টাইপরাইটার নিয়ে নিজেই লিখতে বসে গেলাম। ছোট একটি নাটক লিখলাম। মহড়া, মঞ্চস্থ—সবই হলো। শুরুটা এভাবে। আসলে আমি নিজেকে লেখক হিসেবে তখনো ভাবতে পারিনি। দীর্ঘ সময় আমি নিজেকে পরিচালক হিসেবেই দেখতাম।’ কেমন হয়েছিল সেই নাটক? ‘নাটকটি খুবই খারাপ হয়েছিল। কিন্তু এরপর তখনকার বিখ্যাত অনেক নাটকের কোম্পানি আমার কাছে নাটক চাইতে শুরু করে। আমিও সাহস করে লিখতে শুরু করি। বয়স মাত্র ২৩, আমার লেখা প্রথম পূর্ণাঙ্গ নাটক স্ল্যাগ মঞ্চস্থ হয়। বলা যায়, সৌভাগ্যবশত এবং ঘটনাচক্রে আমি নাট্যকার বা লেখক