publish on: Thursday 30 November 2017

উত্তেজনা প্রশমনে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি

ফাইল ছবিঃ
লংগদুতে পাহাড়ি গ্রামে পুড়িয়ে দেওয়া বাড়ি। ছবিটি ৩ জুন তোলা। ছবি: সাধন চাকমা রাঙামাটির লংগদুতে সহিংস ঘটনায় দায়ের দুটি মামলার তদন্তের দায়িত্ব স্থানীয় পুলিশের পরিবর্তে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) অথবা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে গঠন করা তদন্ত কমিটি বলেছে, হত্যাকাণ্ড এবং ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের শাস্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচার কার্যক্রম গ্রহণ করা দরকার। পাহাড়ি-বাঙালিদের মধ্যে উত্তেজনার বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আগে থেকে অবহিত থাকলেও তা প্রশমনে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি বলে প্রতিবেদনে মতামত দেওয়া হয়েছে। গত জুনে রাঙামাটির লংগদুতে ঘটা সহিংস ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে ১০ দফা সুপারিশ করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জেলা ম্যাজিস্ট্রেসি পরিবীক্ষণ অধিশাখা একজন অতিরিক্ত সচিবকে সভাপতি করে পাঁচ সদস্যের এ তদন্ত কমিটি গঠন করে। বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে গতকাল বুধবার মন্ত্রিপরিষদ সচিবের পক্ষে ওই প্রতিবেদনটি দাখিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। আদালত শুনানির জন্য আগামী ৬ ডিসেম্বর পরবর্তী দিন রেখেছেন। এই আদালতে নিয়োজিত ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তাপস কুমার বিশ্বাস প্রথম আলোকে বলেন, লংগদুতে পাহাড়িদের গ্রামে অগ্নিসংযোগ ও উচ্ছেদের ঘটনা তদন্তে আইন অনুসারে কমিশন কেন গঠন করা হবে না এবং ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতি কেন নিরূপণ করা হবে না তা জানতে চেয়ে গত ২১ আগস্ট হাইকোর্ট রুল দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতেই পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।